শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিং বেশি

লোডশেডিং
লোডশেডিং
প্রতীকী ছবি

আগের দিনের চেয়ে গতকাল বুধবার উৎপাদন কিছুটা বাড়িয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রাবণের বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে বিদ্যুৎ খাতে। বিদ্যুতের চাহিদা কমায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা আগের দিনের চেয়ে কমেছে। তবে চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ পাওয়ায় গ্রাম এলাকাগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং করছে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)।

বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমাতে জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের একটি হলো পরিকল্পিত এক ঘণ্টার লোডশেডিং। গতকাল দ্বিতীয় দিনেও লোডশেডিংয়ের রুটিন (সময়সূচি) মানা যায়নি ঢাকার বাইরে।দিনের বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের তথ্য পরের দিন প্রকাশ করে পিডিবি। গত মঙ্গলবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে ১১ হাজার ৭৪২ মেগাওয়াট। গতকাল পিডিবির দিনে সর্বোচ্চ চাহিদার পূর্বাভাস ছিল ১৪ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। আর উৎপাদন ১২ হাজার ৫১ মেগাওয়াট। ২ হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট ঘাটতি হতে পারে। এ ঘাটতি পূরণে গড়ে দুই ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং করা দরকার পড়ে বলে জানিয়েছেন পিডিবির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এক ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে ৯৭৬ মেগাওয়াট সাশ্রয় হয়। বৃষ্টি নামায় চাহিদা পূর্বাভাসের চেয়ে কমেছে। তাই লোডশেডিং কমানো গেছে।

সারা দেশে বিদ্যুৎ বিতরণ করে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ডিপিডিসি ও ডেসকো।

গতকাল দুপুরে ঢাকায় দুই ঘণ্টার মতো বৃষ্টি হয়েছে।

এতে তাপমাত্রা কমায় বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কমেছে। তাই রুটিন মেনে এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং দিয়েছে ডিপিডিসি ও ডেসকো। গতকাল দিনে সর্বোচ্চ ১১০ মেগাওয়াট ঘাটতি পেয়েছে ডিপিডিসি। আগের দিন ঘাটতি ছিল ১৫০ মেগাওয়াট। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, রুটিন মেনেই লোডশেডিং করা গেছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন